ARTICLE AD
468x60 AD AFTER 4 POSTS
ইতালির ভিসা জটিলতা সমাধানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ভিসাপ্রত্যাশীরা। ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে কঠোর কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
রোববার (১৬ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা আকরাম খাঁ হলে সংবাদ সম্মেলনে ইতালি ভিসাপ্রত্যাশীরা এ ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে ইতালি ভিসাপ্রত্যাশী রিয়াজ হোসেন বলেন, ‘২০২৩ সালের আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত কোনো প্রকার নিষ্পত্তি ছাড়াই ভিসা আটকে আছে। এলোমেলোভাবে ভিসা ডেলিভারি দিচ্ছে দূতাবাস। আমরা এর শান্তিপূর্ণ সমাধান চাই। বাংলাদেশের প্রবাসী কমিউনিটির সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তারা আমাদের এ দুঃসময়ে সহযোগিতা করতে চান। সরকার দ্রুত ভিসা সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ না নিলে রেমিট্যান্স শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করবেন প্রবাসীরা। আমরা লক্ষাধিক ভুক্তভোগী এবং তাদের পরিবারকে নিয়ে আমরণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করবো।’
দুই দফা দাবি জানিয়ে ভুক্তভোগীরা বলেন, ‘অতি দ্রুত প্রধান উপদেষ্টার উপস্থিতিতে ইতালি রাষ্টদূতকে আমন্ত্রণ জানাতে হবে। তাকে অনুরোধ করতে হবে যেন ২০২৩ সাল থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে এক মাসের মধ্যে দ্রুত যাচাই সম্পন্ন করে সঠিক ওয়ার্ক পারমিটে ভিসা প্রদান করে জাল ভিসা বাতিল করে দেয়। রাষ্ট্রদূতকে প্রেস ব্রিফিং করে এটি নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়াও ইতালি রাষ্ট্রদূত কারণ দেখিয়ে অপারগতা প্রকাশ করলে প্রয়োজনে ইতালি সফরের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা নিতে হবে এবং ইতালির প্রধানমন্ত্রীসহ ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গে মিটিং করে ভিসার যত প্রকার জটিলতা আছে সমাধান করতে হবে।’
- আরও পড়ুন
বাংলাদেশি কর্মী ভিসার জটিলতা নিষ্পত্তি করবে ইতালি
কিছুদিনের মধ্যে সব ভিসা চালু করার আশ্বাস ভারতের
লিখিত বক্তব্যে ভিসাপ্রত্যাশীরা বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, যেকোনো কর্মসূচি পালন করার আগে আপনাকে সমস্যা এবং দাবি জানাতে। তিনি বলেছেন, দাবি যদি যৌক্তিক হয়, আর সেই দাবি পূরণ না করলে তখন আন্দোলন করতে। আগামী ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে আমাদের দাবি বাস্তবায়ন না করলে আমরা প্রবাসী ভাইদের নিয়ে এমন ভয়ঙ্কর কর্মসূচি পালন করবো যার প্রভাব বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর পড়বে। আমরা দেশপ্রেমিক এবং বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে কখনই তা চাই না। কিন্তু যদি আমাদের বাধ্য করা হয় তাহলে সেই কর্মসূচিতে সহযোগিতা করবেন আমাদের প্রবাসী ভাইয়েরা। প্রবাসীদের কর্মসূচির ভয়াবহতা কী হতে পারে তা ২৪ এর গণআন্দোলনের স্বৈরাচার সরকারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
তারা বলেন, ‘আমরা ভুক্তভোগীরা মনে করি, এমন কোনো জটিলতা নেই যার সমাধান নেই। এই কূটনৈতিক সমস্যা কূটনৈতিকভাবে সমাধান করা সম্ভব। দরকার সমাধানের জন্য সঠিক উদ্যোগ গ্রহণ করা। আমাদের জন্য সরকার কাজ করবে সেই আশা রাখছি প্রধান উপদেষ্টার ওপর। আমরা কোনো প্রকার রোড ব্লক অথবা আন্দোলন-মানববন্ধন চাই না। আমরা চাই সুষ্ঠু সমাধান।’
আরএএস/ইএ/জেআইএম